ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৮ ১৪২৬   ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
৮৩৮

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা : দণ্ডিতরা কে কোথায়?

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০১৯  

২০০৪ সালে ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলায় মোট ৪৯ জন আসামি ছিলেন। যাদের মধ্যে ১৯ জনকে যাবজ্জীবন এবং ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে লুৎফুজ্জামান বাবর এবং আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ৩১ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এছাড়া তারেক রহমান এবং হারিছ চৌধুরীসহ ১৮ জনকে মামলার নথিতে পলাতক দেখানো হয়েছে। বাকি তিনজনের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় গ্রেনেড হামলা মামলা থেকে তাদের বাদ দেয়া হয়েছে।

দণ্ডিতরা কে কোথায়?

তারেক রহমান : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। গ্রেনেড হামলা মামলায় তাকে যাবজ্জীবন শাস্তি দেয়া হয়েছে।

লুৎফুজ্জামান বাবর : বিএনপি সরকারের সময় তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। গ্রেনেড হামলা মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি কারাগারে অবস্থান করছেন।

আব্দুস সালাম পিন্টু : বিএনপি সরকারের সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী ছিলেন আব্দুস সালাম পিন্টু। গ্রেনেড হামলা মামলায় তাকেও মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ : জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন তিনি। গ্রেনেড হামলা মামলায় তিনি ছিলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসামি। তবে যুদ্ধাপরাধ মামলায় তার ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় গ্রেনেড হামলা মামলা থেকে তার নাম বাদ দেয়া হয়।

মুফতি হান্নান : উগ্র ইসলামপন্থী দল হরকাতুল জিহাদের নেতা ছিলেন মুফতি হান্নান। গ্রেনেড হামলা মামলার মূল আসামি তিনি। সিলেটে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে তিনজনকে হত্যার দায়ে ২০১৭ সালে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

তাজুল ইসলাম : বিএনপি সরকারের শিক্ষা উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর ভাই তিনি। গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। বর্তমানে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় আছেন বলে জানা যায়।

হারিছ চৌধুরী : বিএনপি সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব ছিলেন তিনি। গ্রেনেড হামলা মামলায় তাকে যাবজ্জীবন শাস্তি দেয়া হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থান সম্পর্কে কেউ নিশ্চিত নয়। তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ একাধিক দেশে আসা যাওয়া করছেন বলে তদন্তকারী কর্মকর্তারা বলছেন।

মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী : প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা বা ডিজিএফআই-এর প্রধান ছিলেন তিনি। গ্রেনেড হামলা মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুর রহিম : তিনি ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা বা এনএসআই-এর সাবেক মহাপরিচালক। এ মামলার রায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক : বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক এ কর্মকর্তা সম্পর্কে খালেদা জিয়ার ভাগ্নে। এ মামলায় দীর্ঘ সময় তিনি জামিনে থাকলেও এখন তিনি কারাগারে রয়েছেন।

শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ : বিএনপির টিকিটে কুমিল্লা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। গ্রেনেড হামলা মামলায় তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়। মামলার অভিযোগপত্রে তাকে পলাতক দেখানো হয়েছে। ধারণা করা হয়, তিনি সৌদি আরবে পলাতক আছেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন : বিএনপি সরকারের সময় তিনি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা বা ডিজিএফআই-এর দ্বিতীয় শীর্ষ ব্যক্তি ছিলেন। সে সরকারের মেয়াদ শেষ হলে তিনি আমেরিকায় চলে যান। মামলার কাগজপত্রে তাকেও পলাতক দেখানো হয়েছে।

লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম : সাবেক এ সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর বেরিয়েছে।

এদিকে, দায়িত্বে অবহেলার কারণে পুলিশ প্রধান শহুদুল হক, পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আশরাফুল হুদা ও অতিরিক্ত পুলিশ প্রধান খোদাবক্স চৌধুরীকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বর্তমানে তারা সবাই কারাগারে অবস্থান করছেন।

এছাড়া, সিআইডির সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সাবেক সিনিয়র এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান এবং এএসপি আব্দুর রশিদ বর্তমানে কারাগারে আছেন। এ তিনজন বিএনপি সরকারের সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন। মামলার আরেক আসামি হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক হানিফ পলাতক রয়েছেন। রায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

আজকের ময়মনসিংহ
আজকের ময়মনসিংহ
এই বিভাগের আরো খবর