ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • বুধবার   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ৭ ১৪২৬

  • || ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
১২

সন্তানের মানসিক বিকাশে...

আজকের ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ২২ জানুয়ারি ২০২০  

গুটি গুটি পায়ে একটি শিশুর পথ চলা শুরু হয় বাবা মায়ের হাত ধরেই। তাই সন্তানকে বড় করার দায়িত্বটি মা-বাবার। ছোটবেলা থেকেই মা-বাবা যদি সন্তানের দায়িত্বে তৎপর হয় তবেই একটি শিশু বড় হয়ে একজন আদর্শ সন্তান গড়ে ওঠে। পরিবারই শিশুর প্রাথমিক শিক্ষাকেন্দ্র। তাই মা-বাবার উচিত তার শিশুর মানসিক বিকাশে নিজেদের দায়িত্ব পালন করা। সন্তানের মানসিক বিকাশে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা জরুরী -

বন্ধুত্ব: শিশুর সঙ্গে বন্ধূত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। মা-বাবা যদি সন্তানের বন্ধু হয়ে উঠতে পারে তবেই সন্তান বড় হয়ে অন্যদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবে।

ভয় বা আঘাত: সন্তান যদি কথা না শুনতে চায় তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন। জোর করে বা ভয় দেখিয়ে কিছু করতে যাবেন না। এতে শিশু মনস্তাত্ত্বিক দিক দিয়ে আঘাত পেয়ে থাকে।

আলোচনা: শিশুর সঙ্গে তখনই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠবে যখন তার সঙ্গে কথা বলবেন, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। তার মতামত জানতে চাইবেন। তাই সন্তানকে আলোচনায় উৎসাহিত করুন।

পরিবেশ: সন্তানের মানসিক বিকাশে সবচেয়ে প্রয়োজন একটি অনুকূল পরিবেশ। সন্তানের বেড়ে ওঠার জন্য ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করার দায়িত্ব আপনারই।

প্রশংসা: যে কোনো কাজে প্রশংসিত হলে বড়দের যেমন কাজের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায় শিশুদেরও ঠিক তেমনি। সন্তানের যে কোনো ভালো কাজে তাকে প্রশংসা করুন এতে সে আরো ভালো কাজ করার আগ্রহ পাবে।

ধৈর্য্য ধারণ: সন্তানের আচার-আচরণে খারাপ বিষয়ের ইঙ্গিত পেলে তাকে ধমক বা বকা না দিয়ে ধৈর্য্য ধরুন। কোনো বিষয়ে অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে বরং তাকে ভালো মন্দের ব্যবধান স্পষ্ট করতে হবে।

ভালোবাসা: পৃথিবীর প্রত্যেক মা-বাবা তার সন্তানকে নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন। কিন্তু খুব কম সন্তানই এটি অনুভব করতে পারে যে তার মা-বাবা তাকে কতখানি ভালোবাসে। সন্তানকে ভালোবাসা বুঝতে দিন এজন্য তাদের প্রতি তেমনি ভালোবাসা প্রদর্শন করুন।

অনুভূতি: সন্তানের আবেগ অনুভূতির প্রতি গুরুত্ব দিন। ছোট ছোট ব্যাপারেও সন্তানের আবেগ-অনুভূতি প্রাধান্য দেয়ার চেষ্টা করুন।

সময়: সন্তানকে সর্বোচ্চ সময় দেয়ার চেষ্টা করুন। বর্তমানে কর্মজীবি বাবা মা তাদের সন্তানদের অনেক কম দিয়ে থাকেন। তবুও সন্তানের জন্য সুযোগ করে পর্যাপ্ত পরিমাণ সময় বের করে নিতে হবে।

কথা শোনা: পরিবারের যে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সন্তানের মতামত নিন এবং তার কথা গুরুত্ব সহকারে শোনার চেষ্টা করুন। এছাড়াও সন্তান কি বলতে চায় তা মনোযোগ সহকারে শুনুন।

শরীরচর্চা: সন্তানকে আধুনিক বানাতে গিয়ে শুধু কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে আবদ্ধ করে রাখবেন না। সন্তানকে খেলাধুলা এবং শরীরচর্চায় উৎসাহিত করুন।

সীমানা: কোনো বিষয়ে সন্তানকে অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করবেন না। সন্তানকে নির্দিষ্ট একটি গন্ডি মেপে দিন। যাতে সে ছোট থেকেই বুঝতে পারে তার কাজের পরিধিগুলো। সন্তানের বাধা-নিষেধের সীমানা নির্ধারণ করে দিন।

বুদ্ধিমত্তা: সন্তানের মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে মা-বাবার ভূমিকা অপরিসীম। শিশুর মানসিক বিকাশ পরিবার থেকেই প্রথম হয়ে থাকে। বুদ্ধিমত্তার নানা ধরনের ব্যবহারে উৎসাহিত করুন।

সহায়তা: সন্তান প্রত্যেকের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান তাই কোনো কিছুতে আপোষ না করে, তাকে আরো বিশেষ গুরুত্ব দিন। সন্তানের মানসিক বিকাশে প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে কোনো সংকোচ বোধ করবেন না।

আজকের ময়মনসিংহ
আজকের ময়মনসিংহ
স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর