ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

রোববার   ২৫ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ১০ ১৪২৬   ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

আজকের ময়মনসিংহ
২২

লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে শোলাকিয়ায় শান্তিপূর্ণ ঈদ জামাত

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০১৯  

দেশের ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ১৯২তম পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত এই জামাতে ইমামতি করেন শহরের মারকাস মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা হিফজুর রহমান খান।

১৭৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ঈদগাহর ঐতিহ্য অনুসারে মুসল্লিদের প্রস্তুতির জন্য জামাত শুরুর ১৫ মিনিট আগে তিনটি, ১০ মিনিট আগে তিনটি এবং ৫ মিনিট আগে তিনটি শটগানের গুলি ছোঁড়া হয়।

ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে নেয়া হয়েছিল চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিপুল সংখ্যক পুলিশ এবং এপিবিএন ছাড়াও দুই প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাব মোতায়েন ছিল। পুরো মাঠ নজরদারির জন্য ড্রোন উড়ে শোলাকিয়ায়। বসানো হয়েছিল আর্চওয়ে, ওয়াচটাওয়ার ও তল্লাশি চৌকি। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে মুসল্লিদের তল্লাশি করে ঈদগাহে ঢুকতে দেয়া হয়।

জামাত শুরুর আগে ঈদগাহ কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী সমাগত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে শান্তিপূর্ণ ঈদ জামাত আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানান। সেই সঙ্গে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।

জেলা প্রশাসক ছাড়া পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ বিপিএম (বার), পৌরমেয়র মাহমুদ পারভেজ এবং ঈদগাহ কমিটির সদস্য সচিব কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল কাদির মিয়া মুসল্লিদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন।

জামাতশেষে মোনাজাতে ইমাম মাওলানা হিফজুর রহমান খান বিশ্ব মুসলিম উম্মার শান্তি ও সমৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশের নিরাপত্তা, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। জীবিত মৃত সকলের নাজাত ও হেদায়েত কামনা করেন। পাশাপাশি পশু কোরবানি কবুল করার জন্যও সৃষ্টিকর্তার প্রতি প্রার্থনা জানান।

এর আগে ইমাম মাওলানা হিফজুর রহমান খান তার খুতবায় গুজব, ডেঙ্গু ও এডিস মশা থেকে পরিত্রাণের জন্য সচেতনতার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রায় পৌনে তিনশ’ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের জামাতে লাখ লাখ মুসল্লি অংশ নেন। তবে ঈদুল আযহার জামাতে কোরবানির আনুষ্ঠানিকতার কারণে ঈদুল ফিতরের তুলনায় মুসল্লির সংখ্যা কম হয়। এরপরও এবারের ঈদুল আযহার জামাতে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন।

জামাত উপলক্ষে ‘শোলাকিয়া স্পেশাল’ নামে দু’টি বিশেষ ট্রেন চলাচল করে। ট্রেন দু’টির একটি ভৈরব থেকে এবং অপরটি ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে কিশোরগঞ্জ আসে এবং নামাজ শেষে মুসল্লিদের নিয়ে ভৈরব ও ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

আজকের ময়মনসিংহ
আজকের ময়মনসিংহ
এই বিভাগের আরো খবর