ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

বৃহস্পতিবার   ১৪ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৯ ১৪২৬   ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
২৭

যে মাছ দেখামাত্র মেরে ফেলার পরামর্শ!

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০১৯  

নাম স্নেক হেড। নামেও আজব, স্বভাবেও। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় শিকারী এক ব্যক্তি এই সাস্নেকহেড মাছটি প্রথম দেখতে পান গুইনেট কাউন্টির একটি পুকুরে। 

এরপর জর্জিয়া প্রাকৃতিক সম্পদ, বন্যপ্রাণ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে ওই মৎস্যজীবীকে ধন্যবাদ জানান বিভাগীয় মুখপাত্র ম্যাট টমাস। তিনি বলেন, ওই মৎস্যজীবীর বার্তা পেয়েই তাদের কর্মীরা ওই পুকুরে গিয়ে তদন্ত করে নিশ্চিত হন সেখানে ওই প্রজাতির মাছের অস্তত্ব নিয়ে।

প্রাণীবিজ্ঞানীরা বলছেন, মূলত পূর্ব এশিয়ার বাসিন্দা সরু আকার, কালচে খয়েরি রং'র স্নেক হেড মাছ প্রায় তিন ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। ওজন প্রায় ১৮ পাউন্ড। মুখে সরু, তীক্ষ্ণ দাঁতের সারি। এরা টানা চার দিন মড়ার মতো পড়ে থেকে ডাঙাতেও বেঁচে থাকতে পারে এবং খোলা বাতাসে শ্বাস নিতে পারে যদি কোনও স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় থাকে। খরার সময় মাটির ভিতর ঢুকে নিজের জীবন রক্ষা করতে পারে এরা। 

 

সাধারণত যে জলাশয়ে এরা জন্মায় সেখানের প্রাণীজগতের পক্ষে ক্ষতিকারক হয় এরা। কারণ এদের খাবার ছোট মাছ, কীটপতঙ্গ থেকে ছোট ইঁদুর, উভচর প্রাণী। পুষ্টিদায়ক খাদ্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় এই মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মৎস্য এবং বন্যপ্রাণ পরিষেবা দফতর স্নেক হেড মাছকে বন্যপ্রাণের পক্ষে ক্ষতিকারক হিসেবে ঘোষণার পর তা বন্ধ হয়।  

টমাস বলেন, তারা ইতিমধ্যেই সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলেছেন, যদি কোনও ব্যক্তি ওই মাছের সংস্পর্শে আসেন, তাহলে সেটিকে যেন তৎক্ষণাৎ মেরে ফেলা হয়। আপাতত ওই পুকুরের প্রাণীজগতের উপর পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৪টি স্টেটে স্নেক হেড মাছ পাওয়া গেলেও টমাসের আশা জর্জিয়ায় এখনই হয়ত সেভাবে বংশবিস্তার করতে পারেনি।

আজকের ময়মনসিংহ
আজকের ময়মনসিংহ