ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • সোমবার   ১৩ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪২৭

  • || ২২ জ্বিলকদ ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
২৯১

ময়মনসিংহে করোনায় আক্রান্তদের পরিচর্যার জন্য প্রস্তুত ৫৩৯ বেড

আজকের ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ১৭ মার্চ ২০২০  

ময়মনসিংহ বিভাগে করোনায় আক্রান্তদের পরিচর্যার জন্য ৫৩৯টি বেড প্রস্তুত রেখেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। প্রাথমিক পরীক্ষায় রোগের লক্ষণ না থাকায় বিদেশফেরত যাত্রীদের প্রশাসনের নজরদারিতে বাড়ি পাঠাচ্ছে সরকার। এদিকে ময়মনসিংহ জেলায় বিদেশ থেকে আসা ২৯ প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে নান্দাইল উপজেলায় ১২জন, ফুলপুর উপজেলায় ৬জন, ফুলবাড়িয়ায় ৩জন, সদরে ২জন ও গফরগাঁওয়ে ৬জন।

১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন থাকাকালীন তাদের মধ্যে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দিলে স্থানীয়ভাবেই তাদের চিকিৎসা দেয়া হবে। এজন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ময়মনসিংহের সরকারি হাসপাতালগুলোকে। সরকারি নির্দেশমতো রাখা হয়েছে করোনা ইউনিটের ব্যবস্থা।

চীন ছাড়িয়ে করোনা ভাইরাস যখন ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে সেই প্রেক্ষাপটে গত ২৬ জানুয়ারি রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা স্বাক্ষরিত এক পত্রে দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট স্থাপনের নির্দেশনা দেয়া হয়। তাতে সংক্রমিত ব্যক্তির সেবায় সব হাসপাতালে অক্সিজেন এবং অন্যান্য সুবিধাসহ ৫টি বিছানা সংবলিত আইসোলেশন ইউনিট নির্দিষ্টকরণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরর তথ্য মতে, এই নির্দেশের পরই দেশের আট বিভাগে ৪ হাজার ৭৭৯ বেড প্রস্তুত করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রামে এক হাজার ২২৩, ঢাকায় ৯০২, রাজশাহীতে ৮১৭, ময়মনসিংহে ৫৩৯, রংপুরে ৪৮৯, খুলনায় ৪২৮, সিলেটে ২৭১ এবং বরিশালে ১১০টি বেড। এছাড়া পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে।

এদিকে গতকাল মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, আল্লাহ না করুক, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি হলে তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। ধর্ম মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে ইজতেমা ময়দানকে প্রস্তুত করার ব্যাপারে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, এরপরেও যদি কারো মধ্যে সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দেয় তবে সরাসরি আইইডিসিআরে আসার প্রয়োজন নেই। এতে সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যায়। তারা যে গণপরিবহন ব্যবহার করবেন, যে যানবাহন দিয়ে আসবেন সেখানে থাকা মানুষের মধ্যেও কিন্তু এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। আমাদের হটলাইনে যোগাযোগ করা হলে আমরা বাড়িতে গিয়েই নমুনা সংগ্রহ করব। এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকায় নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করার সক্ষমতাও আমাদের আছে।

নমুনা পরীক্ষার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে কিট রয়েছে কিনা এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের কাছে দুই হাজারের মতো কিট রয়েছে। আরো কিছু কিট আসার পথে রয়েছে।

নগর জুড়ে বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর