ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • শনিবার   ৩০ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪২৭

  • || ০৭ শাওয়াল ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
১৮২

মাদ্রাসা ছাত্রকে অফিস কক্ষে নিয়ে শিক্ষকের বলাৎকার

আজকের ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০১৯  

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে নাজারা বিভাগের এগারো বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ নির্যাতিত শিশুটিকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। এ ঘটনার পর থেকে নান্দাইলের কাদিরপুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে ও অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মো. কেফায়েতুল্লাহ পলাতক রয়েছে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈশ্বরগঞ্জে উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের মধুপুর বাজারের দাওসুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মো. কেফায়েতুল্লাহ ওই মাদ্রাসার নাজারা বিভাগের এগারো বছর বয়সী ছাত্রকে  বুধবার (৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার অফিস কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে জোরপূর্বক ছাত্রটিকে কেফায়েতুল্লাহ বলাৎকার করেন। ওই সময় শিশুটিকে ভয় দেখিয়ে কাউকে কিছু না বলতে নিষেধ করা হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সকালে ঘটনার শিকার ছাত্রটি তার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের লোকজনের কাছে বিষয়টি জানায়। পরে ওই ছাত্রের বাবা মাদ্রাসায় গিয়ে এ ঘটনার বিচার চান। এ নিয়ে সালিশ মীমাংসার চেষ্টাও করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, এর আগেও এ ধরনের বেশ কয়েকটি জঘন্য ঘটনা ঘটিয়েছেন শিক্ষক কেফায়েতুল্লাহ। পরে সালিশে মীমাংসা করে দিলেও বার বার এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে।

এ ঘটনায় শুক্রবার (১১ অক্টোবর) রাতে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। পুলিশ রাতেই মামলাটি নথিভুক্ত করে। পরে শনিবার ওই ছাত্রকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ হাসপাতালে ও জবানবন্দির জন্য আদালতে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ঈশ্বরগঞ্জ থানার এসআই আবদুল করিম বলেন, অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ময়মনসিংহ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর