ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৮ ১৪২৬   ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
২৫

মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বাড়ছে ইরানের, পিছিয়ে পড়ছে সৌদি: আইআইএসএস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০১৯  

মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগত লড়াইয়ে সৌদি আরবকে পেছনে ফেলে জয়লাভ করতে চলেছে ইরান। লন্ডনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (আইআইএসএস) থেকে করা এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। খবর বিবিসি’র।

আইআইএসএস জানিয়েছে, সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে গত কয়েক দশক ধরে প্রধানত যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলো থেকে শত শত কোটি ডলারের অস্ত্র কিনেছে। অন্যদিকে রিয়াদের তুলনায় ভগ্নাংশ পরিমাণ অর্থ খরচ করেও ইরান মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে সিরিয়া, লেবানন, ইরাক, ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইরান নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে সক্ষম হয়েছে।

আইআইএসএস ‘মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের নেটওয়ার্কের প্রভাব’ শীর্ষক ২১৭ পৃষ্ঠার এক গবেষণায় মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তার সংক্রান্ত বিস্তারিত উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, ইরানে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির বর্তমান সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির হাত ধরে মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে।

এক্ষেত্রে খামেনি প্রথমেই পাশে পান ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীর (আইআরজিসি) ‘কুদস ফোর্স’ ও এর প্রধান মেজর জেনারেল কাশেম সুলাইমানিকে। কুদস শুরু থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে।

এরপর ২০০৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তারে সবচেয়ে বড় বাঁধা ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনী উৎখাত করলে ওই অঞ্চলে বিশেষত শিয়া অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোয় কুদস দ্রুত নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তারের সবচেয়ে বড় উদাহরণ লেবাননে হিজবুল্লাহ’র আধিপত্য। গোষ্ঠীটি বর্তমানে সামরিক দিক থেকে বেশ শক্তিশালী তাছাড়া সেখানকার রাজনীতিতেও বেশ তৎপর। তাছাড়া আরব বসন্তের গতিপথ নিয়ন্ত্রণেও ইরান ভূমিকা রেখেছে বলে দাবি করেছে গবেষণাটিতে।

আইআইএসএস বলেছে, গত ইরান শুরু থেকেই খুব সতর্কতার সাথে মিত্র বাছাই করেছে। পাশাপাশি তাদেরকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সহায়তা দিয়েছে। এসব তৎপরতার সুফল ইরান পেতে শুরু করেছে বলে দাবি করা হয়েছে গবেষণাটিতে।

এদিকে আইআইএসএসের গবেষণার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের এক মুখপাত্র বলেছেন, ইরান তাদের প্রতি সকল অবহেলা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক আগ্রাসনের জবাব দিয়েছে।

আজকের ময়মনসিংহ
আজকের ময়মনসিংহ
এই বিভাগের আরো খবর