ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৮ ১৪২৭

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
৩৪৯

ব্রেকিং: পাপিয়ার ডেরায় নারী সাপ্লাই দিয়েই কোটিপতি ডাকসু ভিপি নুর!

আজকের ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ৫ মার্চ ২০২০  

এবার ফাঁস হলো শামিমা নূর পাপিয়ার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরের গোপন ব্যবসার খবর। মফস্বল থেকে ঢাকায় আসা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রীদেরকে বিভিন্ন ফাঁদে ফেলে তিনি তাদেরকে বাধ্য করতেন পতিতাবৃত্তিতে। আর এ কাজে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে সহায়তা করতেন পাপিয়া।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মুদি দোকানদারের ছেলে নুর শৈশব থেকেই চাইতেন অধিক টাকার মালিক হতে। তারই অংশ হিসেবে তিনি সুপরিকল্পিতভাবে ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেন, যে কোন মূল্যে টাকার পাহাড় গড়বেন। এ কারণে তার এই শক্ত পরিচয় বা প্ল্যাটফর্মটা দরকার। যেই কথা, সেই কাজ। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই হয়ে ওঠেন বেপরোয়া। আর এর বলির শিকার হন দেশের বিভিন্ন বিভাগের মফস্বল শহর থেকে ঢাকায় আসা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সহজ-সরল ছাত্রীরা। তিনি তাদেরকে বিভিন্ন ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইলের অংশ হিসেবে করাতেন পতিতাবৃত্তি। আর এ কাজে তাকে সাহায্য করতেন পাপিয়া। তবে তার বিনিময়ে তাকে দিতে হতো, উপার্জনের একটি নির্দিষ্ট অংশ।

বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানিয়েছে, ঢাকার বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রামীণ পরিবেশ থেকে আসা ছাত্রীদেরকে টার্গেট করতেন ভিপি নুর ও তার দল। তারা তাদের গোসলের দৃশ্যসহ বিভিন্ন অপ্রস্তুত মুহূর্তের ছবি তুলে তা পাঠিয়ে দিতেন সংশ্লিষ্টদের এবং বলতেন, তাদের কথা মতো না চললেই বিপদ আছে। বাধ্য হয়ে অসহায় ছাত্রীরা লালসার শিকার হতেন অসংখ্য মানুষের। হাত বদল হয়ে হয়ে তারা যেতেন বিএনপি ঘেঁষা দূতাবাস কর্মকর্তা, বিএনপির শীর্ষ নেতা, বিএনপিপন্থী আইনজীবী-ব্যবসায়িক ও চিকিৎসক নেতাদের কাছে। আর এসব কাজে ভিপি নুরের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে কাজ করতেন পাপিয়া।

এদিকে সূত্রটি আরো জানিয়েছে, নুর এসব কাজে পাপিয়াকে ব্যবহার করলেও নিজের আর্থিক অংশের ব্যাপারে বরাবরই খুব সিরিয়াস। তিনি তাকে ব্যবসার শুরুতেই সাফ জানিয়ে দেন, আর্থিক বিষয়ে কোন খাতির নেই। ন্যায্য টাকা তার চাই-ই চাই। এ কারণে নুর নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে পাপিয়ার কাছ থেকে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা নিতেন এবং তদূর্ধ্ব লেনদেনের ক্ষেত্রে সেফটি হিসেবে অর্থ জমা করতেন নিজের আন্টির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। পরবর্তীতে সেই অর্থ তিনি বুঝে নিতেন আন্টির কাছ থেকে। এভাবেই চলে আসছে তাদের নূর-নুর জুটির যৌথ নারী ব্যবসা। যা থেকে তারা হয়েছেন কোটিপতি।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশিষ্টজনরা বলছেন, ডাকসুর ভিপি পরিচয়কে বিক্রি করে নুর বিভিন্ন অসদুপায় অবলম্বন করে হাতিয়েছেন কোটি কোটি। যার মধ্যে অন্যতম হলো পাপিয়া ও তার যৌথ এই নারী ব্যবসা। অথচ তাদের পাপরাজ্যের কথা ঘুণাক্ষরেও এতোদিন কেউ জানতে পারেন নি, বিষয়টি সত্যিই আশ্চর্যজনক।

রাজনীতি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর