ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • বৃহস্পতিবার   ১৬ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ৩১ ১৪২৭

  • || ২৫ জ্বিলকদ ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
১৮৬

বাংলাদেশি পাসপোর্টে ১১৪তম দেশ ঘুরলেন আসমা আজমেরি

আজকের ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ১৬ নভেম্বর ২০১৯  

বাংলাদেশি সবুজ পাসপোর্ট নিয়ে ১১৪তম দেশ ভ্রমণ করলেন বাংলাদেশি নারী বিশ্বপর্যটক কাজী আসমা আজমেরি। তিনি এখন পরতুগালে রয়েছেন। ইতিমধ্যেই তিনি আলোচনায় এসেছেন বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় গণমাধ্যমে এবং সংবাদের শিরোনামও হয়েছেন বহুবার, যা বাংলাদেশের মাথা উঁচু করেছে বিশ্ব দরবারে।

আসমা আজমেরি বলেন, আমি বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়েই সারা পৃথিবীর সব দেশে আমার পায়ের চিহ্ন রাখতে চাই। 

কাজী আসমা আজমেরি। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ট্রাভেলার্সদের মধ্যে অন্যতম এক নাম। দীর্ঘ দশ বছর ধরে তিনি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, প্রকৃতি, দেশের মানুষ সম্পর্কে জানাচ্ছেন। 

আসমা আজমেরী ২০০৭ সালে প্রথম দেশ হিসেবে থাইল্যান্ড যাত্রা করেন। আর ২০১৮ সালে তুর্কমেনিস্তানের মাটিতে পা দিয়ে শততম দেশ সফরের আশা পূরণ করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন তিনি।

আসমা আজমারী বলেন, আমি জনপ্রিয়তার জন্য নয়, দেশ ভ্রমণ করি নিজের শখ থেকে।

প্রথম দিকে তার ভ্রমণটা ছিলো শখে তবে এখন তিনি অনুভব করেন তিনি তার ভ্রমণের মাধ্যমে নিজ দেশকে বিশ্বের বুকে তুলে ধরতে পারছেন। সেটা তাকে বেশ আনন্দ দেয়।

ভ্রমণ যেন তার জীবনের একটি সংগ্রাম। তিনি প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করেছেন বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে কখনো বা সামাজিকভাবে কখনো বা পরিবারের দিক থেকে অথবা কখনো বা অর্থনৈতিক কখনো বা ভিসার দিক থেকে। 

মাঝে মাঝে তার দিন শুরু হয় দৌড়ের মধ্য দিয়ে। ভিসার জন্য দৌড়াতে হয় অ্যাম্বাসিতে। তিনি আর দশটা বিদেশিদের মতো ইচ্ছা করলেই অনেক জায়গায় যেতে পারেন না। যেখানে সুইডিশ পাসপোর্টে ১৭৯টি দেশ ভ্রমণ করা যায় সেখানে বাংলাদেশি পাসপোর্টে ২৬টি দেশ ভ্রমণ করা যায়। তারপরও তিনি কখনো থেমে থাকেননি। সংগ্রাম করেছেন অজানাকে দেখার উদ্দেশ্যে এবং সংগ্রাম করেছে নিজের স্বাধীনতার জন্য।

বিশ্ব ভ্রমণে আনন্দময় ঘটনার পাশাপাশি আসমা আজমেরী নিরানন্দময় ঘটনারও সম্মুখীন হয়েছেন। ২০০৯ সালে ভিয়েতনামে রিটার্ন টিকিট না থাকায় ২৩ ঘণ্টা জেলে থাকতে হয়েছে তাকে। ২০১০ সালের ২৪ এপ্রিল এবং মে মাসের প্রথম সপ্তাহে সাইপ্রাসে দু-দুবার জেল খেটেছেন তিনি। এছাড়া ২০১৭ সালের ৪ আগস্ট কিউবায় তার ট্রাক্সির সঙ্গে স্কুটির সংঘর্ষও হয়েছে।

আসমা আজমেরী যেসব দেশ ভ্রমণ করেছেন- ২০০৯ সালে ভারত, নেপাল, ভুটান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং। ২০১০ সালে কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম, ব্রুনেই, চীন, ম্যাকাউ, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, সাইপ্রাস, তুরস্ক, মিশর, মরক্কো, সংযুক্ত আরব আমিরাত। ২০১১ সালে স্কটল্যান্ড, ওয়েলস, স্পেন, জার্মানি, পর্তুগাল, চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া, মিয়ানমার, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া, জাপান।

২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়া, ফিজি, নিউজিল্যান্ড, কুক দ্বীপ, টঙ্গা। ২০১৩ সালে নিউ ক্যালেডোনিয়া, তাহিতি, সলোমন দ্বীপ, নিউ, কিরিবাটি তাইওয়ান, ভানুয়াতু, মার্কিন যুক্তরাষ্ট। ২০১৪ সালে মেক্সিকো, গুয়াতেমালা, এল সালভাডর, হন্ডুরাস, নিকারাগুয়া, কোস্টারিকা, পানামা, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, বলিভিয়া, পেরু, ইকুয়েডর। ২০১৫ সালে পোর্ট রিকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, হাইতি, বেলিজ, জ্যামাইকা, বাহামা, আরুবা।

২০১৬ সালে ক্রোয়েশিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, মন্টিনিগ্রো, কোসোভো, আবলানিয়া, ম্যাসেডোনিয়া, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, মোল্দাভিয়া, পোল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, সুইডেন, ডেনমার্ক, ইতালি, হাঙ্গেরি, সার্বিয়া, নরওয়ে, কুয়েত। ২০১৭ সালে কিউবা, সামোয়া, কাতার। ২০১৮ সালে ফিলিপাইন, মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া, কানাডা, জর্জিয়া, বেলারুশ, আজারবাইজান। 

ইত্যাদি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর