ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

শনিবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৫ ১৪২৬   ২১ মুহররম ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
৩৭৫

প্রধানমন্ত্রী ট্রাস্ট উপবৃত্তি পেল পৌনে ৩লাখ শিক্ষার্থী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০১৮  

দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ারোধে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে চলতি বছরের জন্য ২ লাখ ৭৯ হাজার ২৭২ জন শিক্ষার্থীকে ১৫১ কোটি ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৪০০ টাকার উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে।

রোববার (০৯ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ১২ জনকে প্রত্যেকে চার হাজার ৯০০ টাকা করে উপবৃত্তি বিতরণ করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির টাকা হস্তান্তর করেন। বাকি শিক্ষার্থীরা ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ‘রকেট’ এবং অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা পাবেন। 

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম জাকির হোসাইন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজুর মফিজ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এবার উপবৃত্তি পাওয়া ২ লাখ ৭৯ হাজার ২৭২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রী ২ লাখ ৫ হাজার ২৯০ ও ছাত্র ৭৩ হাজার ৯৮২ জন।

সোহরাব হোসাইন বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য উপবৃত্তির উপকারভোগীরা যাতে উপকৃত হয়। তাদের কাছে যেন সঠিক সময়ে টাকাটা পৌঁছে যায়, আমরা সেই বিষয়টির উপর গুরুত্ব দেবো।

উপবৃত্তির এই কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে জানিয়ে সোহরাব হোসাইন বলেন, এই কাজটি আমরা স্বচ্ছভাবে করতে চাই। কাজটি এখন পর্যন্ত সেভাবেই চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম জাকির হোসাইন বলেন, শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় আমরা প্রতিবছর প্রায় ৩ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দিয়ে থাকি। দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা টাকার অভাবে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই লক্ষ্যে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট পরিচালিত হচ্ছে। 

এই ট্রাস্টের আওতায় শিক্ষার্থীদের ভর্তি সহায়তা, দুর্ঘটনায় সহায়তা, উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়া হয় বলেও জানান ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক নির্দেশনায় অর্থের অভাবে শিক্ষার সুযোগ বঞ্চিত দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আইন, ২০১২ এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট স্থাপন করা হয়। 

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টকে ২০১১-২০১২ অর্থবছরে সিডমানি হিসেবে ১ হাজার কোটি টাকা জিওবি থেকে দেওয়া হয়। ওই টাকা থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশের মাধ্যমে স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদানসহ দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিতকরণে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং দুর্ঘটনার কারণে গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট-এর মাধ্যমে ২০১৪ সাল থেকে ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৪৬ হাজার ১৯২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪১১ কোটি ১৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৪০ টাকা উপবৃত্তি বাবদ বিতরণ করা হয়েছে। এরমধ্যে ৬ লাখ ৩২ হাজার ৭৫২ জন ছাত্রীকে মোট ৩৪৮ কোটি ৬৬ লাখ ১০ হাজার ৬৪৩ টাকা এবং ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ জন ছাত্রকে ৬২ কোটি ৫০ লাখ ৩৮ হাজার ২৯৭ টাকা উপবৃত্তি বাবদ দেওয়া হয়েছে।

ট্রাস্ট থেকে এম. ফিল. ও পিএইচডি কোর্সে ফেলোশিপ ও বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এ বৃত্তির আওতায় প্রতিজন পিএইচডি গবেষককে প্রতিমাসে ১৫ হাজার টাকা এবং এম. ফিল. গবেষককে প্রতিমাসে ১০ হাজার টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হয়।

আজকের ময়মনসিংহ
আজকের ময়মনসিংহ
এই বিভাগের আরো খবর