ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

শনিবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১২ ১৪২৬   ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
২৭

পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২০  

এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, পটুয়াখালীতে নির্মাণ হওয়া দেশের সবচেয়ে বড় এই তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করার হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। আস্তে-আস্তে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে।  
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন সোমবার সন্ধ্যায় বলেন, পায়রা কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। আজ থেকে কেন্দ্রটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সিনক্রোনাইজিং বা সংযুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, কেন্দ্রটি এখন ১০০ মেগাওয়াট লোডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। ক্রমান্বয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে।

এর আগে সদ্য সমাপ্ত হওয়া বছরের ৩০ ডিসেম্বর বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঞ্চালন লাইন নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ৩১ ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় লাইনটিতে বিদ্যুৎসংযোগ দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। বিভিন্ন ভোল্টেজ লেভেলে তিন ঘণ্টা লাইনটিতে বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হয়। 

এরপর পায়রা-গোপালগঞ্জ সঞ্চালন লাইনটি বিদ্যুৎ সঞ্চালনের উপযুক্ত বলে ঘোষণা করে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)। সব ঠিকঠাক থাকায় পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। 

এদিকে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সময় চেয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। প্রধানমন্ত্রীর সুবিধাজনক সময়ে কেন্দ্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। 
এর আগে ২০১৬ সালে দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ নিয়ে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া এলাকায় কয়লাভিত্তিক এই বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেয় সরকার। রাষ্ট্রায়াত্ত নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (এনডব্লিউপিজিসিএল) ও চীনের ন্যাশনাল মেশিনারি এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইমপোর্ট কর্পোরেশন (সিএমসি) যৌথভাবে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করেছে। 

চীনের এক্সিম ব্যাংকের ১৬ হাজার কোটি টাকা আর্থিক সহায়তায় কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। কেন্দ্রের সমান মালিকানা রয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের হাতে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির লাইফ টাইম ধরা হয়েছে ২৫ বছর।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, দেশের প্রতিটি ঘরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের যে পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে, সে উদ্যোগ বাস্তবায়ন হচ্ছে। পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোপুরি চালু হলে এখান থেকে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

আজকের ময়মনসিংহ
আজকের ময়মনসিংহ
এই বিভাগের আরো খবর