ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • বুধবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ১৫ ১৪২৭

  • || ১২ সফর ১৪৪২

আজকের ময়মনসিংহ
৮৫

পঞ্চম দিনের আন্দোলনে অচল বশেমুরবিপ্রবি

আজকের ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) থেকে ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন না দেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ৫ম দিনেও আন্দোলনে মুখর ছিল গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) ক্যাম্পাস।

আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করে ইতিহাস বিভাগসহ অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ সময় স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

আন্দোলনের শুরুতে প্রশাসনিক ভবন এবং গতকাল একাডেমিক ভবন তালা দেয় আন্দোলনকারীরা।একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন তালাবদ্ধ থাকায় সকাল ৯ টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কোনো ধরনের কার্যক্রম শুরু হয়নি। এতে টানা দ্বিতীয় দিনের মত অচলাবস্থা বিরাজ করছে।

দুপুর ১২টায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দাবি সম্বলিত একটি প্লাকার্ড মিছিল বের করে। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আন্দোলনস্থলে গিয়ে শেষ হয়।

এদিকে ইতিহাস বিভাগের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা একত্মতা প্রকাশ করায় আন্দোলন আরো বেগবান হয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদালয়ের সকল ধরনে ক্লাস ও ল্যাব পরীক্ষা বর্জন করেছে শিক্ষার্থীরা। সেই সাথে বন্ধ রয়েছে প্রশাসনিক কার্যক্রমও। ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন দেয়াসহ দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণায় অনড় রয়েছে আন্দোলনকারীরা।

এ বিষয়ে ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কারিমুল বলেন, "বিভাগ একজন শিক্ষার্থীর অস্তিত্ব।আজ আমাদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে।তাই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শাহজাহান জানান, "আমরা ইতিহাস বিভাগের দাবির বিষয়ে আন্তরিক। পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ জন্য একাডেমিক কাউন্সিলের সভা প্রয়োজন।কিন্তু একাডেমিক কাউন্সিল আহ্বান আমার ক্ষমতার বাইরে।"

প্রসঙ্গত, গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) অনুষ্ঠিত এক সভায় বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন না দিয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি না করার নির্দেশ প্রদান করায় শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। বর্তমানে এ বিভাগটিতে ৪১৩ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।

শিক্ষা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর