ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
২৭

ঢাকার স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্মেলন ঘিরে চাঙ্গা নেতাকর্মী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০১৯  

চাঙা হয়ে উঠেছে আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের নেতারা। ১১ ও ১২ নভেম্বর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন। এক যুগেরও বেশি সময় পর অনুষ্ঠেয় সম্মেলন ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে উভয় অংশের নেতাদের।

শীর্ষ পদ পেতে ধরনা দিচ্ছেন প্রভাবশালী নেতা-মন্ত্রীর বাসা-অফিসে। নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ও আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ত্যাগী ও যোগ্য ব্যক্তিদেরই এবার সুযোগ দেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ বলেন, শুধু স্বেচ্ছাসেবক লীগ নয়, আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতৃত্বে ত্যাগী ও যোগ্যরাই সুযোগ পাবেন। যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নেই, যারা দলের জন্য নিবেদিত তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী জায়গা দেয়া হবে।

এদিকে সম্মেলনের ঘোষণার পর ঢাকা মহানগরীজুড়ে পোস্টার, ফেস্টুনে প্রার্থিতা জানান দিচ্ছেন পদপ্রত্যাশীরা। ১১ নভেম্বর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে মহানগর দক্ষিণের এবং ১২ নভেম্বর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে মহানগর উত্তরের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ২০০৬ সালের ৩১ মে ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনে ঢাকা মহানগরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।

২০১২ সালে স্বেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলন হলেও মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন হয়নি।

দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের শীর্ষ পদের আলোচনায় আছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কামরুল হাসান রিপন, বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিটু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক সাঈদ ও আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান, মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ ও শেখ আনিসুর রহমান রানা।

জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, দীর্ঘদিন পর সম্মেলন হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবক লীগে নেত্রী (শেখ হাসিনা) ত্যাগী নেতাকে দায়িত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করবেন এ প্রত্যাশা করছি। কামরুল হাসান রিপন বলেন, দুর্দিনে মাঠে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করেছি। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা তার পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করবেন এটা আমরা আশা করছি।

আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার বলেন, সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সৎ, শিক্ষিত, সাবেক ছাত্রনেতা, ত্যাগী ও পরিশ্রমীদের মধ্যে থেকে আগামী সম্মেলনে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হোক। তাহলেই সংগঠন আরও গতিশীল ও উজ্জীবিত হবে। তারেক সাঈদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতি করছি। এবারের সম্মেলনে নেত্রী দক্ষ, যোগ্য ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতৃত্ব উপহার দেবেন বলে আমার বিশ্বাস।

অন্যদিকে ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক লীগের শীর্ষ পদের আলোচনায় আছেন বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম রাব্বানী, সাংগঠনিক সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসহাক মিয়া। এছাড়া বর্তমান কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন সরদার, প্রচার সম্পাদক দুলাল হোসেন, দক্ষিণখান থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আনিছুর রহমান নাঈম, তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আমজাদ হোসেন ও মোহাম্মদপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহিদুল হক বাবুর নামও আছে আলোচনায়।

জানতে চাইলে মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল বলেন, সম্মেলন ঘিরে ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বসিত। আমাদের কারও ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। আমাদের নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তবে আমরা বিশ্বাস করি, যারা দীর্ঘদিন দল ও সংগঠনের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, সেই ত্যাগী ও যোগ্যদেরই দায়িত্ব দেয়া হবে।

আমজাদ হোসেন বলেন, আমরা দীর্ঘদিন এ সংগঠনের সঙ্গে আছি। দুর্দিনে মাঠে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করেছি। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা তার পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করবেন এটা আমরা আশা করছি। জাহিদুল হক বাবু বলেন, আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে জনগণের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি। তারপরও ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনে আমার ব্যক্তিগত প্রত্যাশা সাধারণ সম্পাদক পদটি। তবে দলের নেতারা আমাকে যেই পদে ভালো মনে করেন, সেই পদে থেকেই দলের হয়ে কাজ করে যাব।

আজকের ময়মনসিংহ
আজকের ময়মনসিংহ
এই বিভাগের আরো খবর