ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • শুক্রবার   ১০ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৬ ১৪২৭

  • || ১৯ জ্বিলকদ ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
১০৩

একজন সফল ভূমি কর্মকর্তা তিনি

আজকের ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯  

২০১৭ সালের ৮ অক্টোবর নান্দাইল ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মাহমুদা আক্তার। এরপর থেকে নিজের সততাকে সঙ্গী করে সেবার মান উন্নয়নে সবসময় সচেষ্ট রয়েছেন। নিয়মিত অংশগ্রহণ করছেন বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্টে।

ভূমি অফিসের রেকর্ড অনুযায়ী কর্মকর্তাদের নানা মূখী তৎপরতায় গত অর্থবছরের তুলনায়  এই অর্থবছরে এরইমধ্যে ২৫ শতাংশ রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। 

মাহমুদা আক্তার বলেন, সারাদেশের মত ১ জুলাই থেকে নান্দাইলেও শুরু হয়েছে শতভাগ ই-নামজারি। এখন পর্যন্ত ৫৯৭টি আবেদন জমা হয়েছে। আবেদনের পর থেকে ২৮ দিনের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি করার বাধ্যবাধকতা থাকায়  এরইমধ্যে ৪০০টি আবেদন  নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বাকীগুলোর নিষ্পত্তির কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রতিটি আবেদনের বিপরীতে আবেদনকারির ফোনে চারটি ম্যাসেজ যায়। কোনো আবেদন নামঞ্জুর হলেও কারণসহ ম্যাসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া নান্দাইলের সব খাস জমি ও অর্পিত সম্পত্তির ছবিসহ ডাটাবেইজ তৈরি করা হয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন হাট বাজারে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মাঝে প্লট বন্দোবস্ত দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এতে করে একই ব্যক্তির একাধিক পজিশন দখলে রাখার প্রবণতা বন্ধ হবে। বাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে। 

রাজস্ব আয়ের অন্যতম উৎস হল জলমহাল ও বালুমহাল। নান্দাইলে একটি বালুমহাল থাকলেও কোন জলমহাল নেই, স্থানীয় ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি সরকারি আবদ্ধ পরিত্যক্ত জলাশয়কে জলমহাল হিসেবে বন্দোবস্ত দেয়ার প্রক্রিয়ায় এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, আশা করছি আগামী মৌসুমে তা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবো। এতে করে জলাশয়টিতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হবে পাশাপাশি রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে। 

মাহমুদা আক্তার আরো বলেন, তিনজন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা, সাতজন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা, একজন প্রধান সহকারী, একজন সার্ভেয়ার, একজন নাজিরসহ অন্যান্য পোস্ট মিলিয়ে ১২জন জনবল মূল অফিসে কর্মরত রয়েছেন।

সেবা গ্রহীতা আব্দুল কাদির বলেন, আমি খারিজের আবেদন করেছিলাম ২৫ দিনের মাথায় আবেদনটি নিষ্পত্তি হয়েছে। আমার কাগজপত্র ঠিক থাকায় কোন হয়রানি ছাড়াই খুব কম সময়ে আমার আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। 

ইউএনও আব্দুর রহিম সুজন বলেন, মানুষের মধ্যে ভূমি অফিস সম্পর্কে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। তারা নিজেদের কাজ নিজেরা না করে কিছু অসাধু বিভিন্ন শ্রেণির ব্যাক্তির শরণাপন্ন হয়। এতে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকারও হয়। আর বদনাম ছড়ায় ভূমি অফিসের। আমরা ভূমি সেবায় কোনো দালালদের প্রশ্রয় দিবো না। কোনো অসাধু কর্মচারি যেন হয়রানি করতে না পারে সে ব্যাপারেও কঠোর অবস্থানে রয়েছি। সবার প্রতি পরামর্শ আপনারা নিজের কাজ নিজে করুন দেখবেন ভুল ভেঙে যাবে। এরপরও সমস্যা হলে এসিল্যান্ড বা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমরা রয়েছি আপনাদের সেবায়।

ময়মনসিংহ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর