ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

রোববার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩ ১৪২৬   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
৫৭৯

উপলক্ষবিহীন মায়ের ভালোবাসা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ নভেম্বর ২০১৮  

শিশু প্রাণ থেকে শুরু করে মধ্যবয়সী সন্তানটাও মায়ের ভালোবাসায় সিক্ত হয়। মুখিয়ে থাকে সন্তান মাত্রেই। মা তো অবারিত হাতে বিলোয় তার ফল্গুধারা। কখনো মায়ায়, কখনো ছায়ায়, কখনো বা ভালোবাসায়। দেয়াতেই তার যত সুখ। কোন বিনিময়বিহীন এ দেয়া। কিছুই চায় না বিনিময়ে। শুধু প্রিয় সন্তান ভালো থাকুক। দুধে ভাতে দিন কাটাক, এটায় চায়। সুসন্তান হিসেবে বেঁচে থাকুক সমাজে। রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিতে পারে একমাত্র মা-ই। অসুখ হলে বা বড় কোনো অঘটন হলে, আগে জানতে পারে মা। মুখ কালো হলে ভেতর ঘরের খবর জানতে পারে মা। চোখের নিচের কালি জমার কাহিনী বলতে পারে মা-ই। একজন সন্তানকে মানুষ করতে কি পরিমাণ শ্রম এবং কষ্ট পোহাতে হয়। সেটা মা ছাড়া দ্বিতীয় কেউ জানে না। বাবাও তার সারথি হয়। তবুও মার তুলনায় তা কম। মা সন্তানের চোখে স্বপ্ন দেয়। বুকে ভালোবাসা দেয়। সারাজীবনের আগামীর পথে ফুলেল বিছানা বিছিয়ে দেয়। নিজের কাছে গচ্ছিত রেখে সব দুঃখ সুখ কিনে দেয় পরম আত্মজকে। কোনো অভাব অভিযোগে সন্তান যেন বিভ্রান্তিতে না পড়ে। সে দিকটায় সজাগ দৃষ্টি রাখে বাবা মা।

সারাজীবন দেখলাম, মা ভালো খাবারটা নিজে না খেয়ে বাবাকে আর তার সন্তানদের খাওয়াতে। উচ্চিষ্ট বাসী খাবার খেতে পারে মা-রাই। শতেক ছেঁড়া তালি দেয়া কাপড় পড়তে পারে মা। কঠিন ব্যামো হাসিমুখে সইতে পারে মা। শুধুই সন্তানের ভালো হোক এ চিন্তায়। সন্তানের ভালো পজিশনে যাওয়ার পেছনে বাবা মার অবদান অনস্বীকাযর্। প্রতিটি সন্তানের সাফল্য গাথায় মাকে জড়িয়ে। গভর্ধারণ থেকে শুরু করে সন্তান প্রতিষ্ঠিত হওয়া পযর্ন্ত মা-রই কষ্টে ধৈযের্্যর দিনযাপন। একদÐ সময় অপচয় করে না নিজের জন্য। তার ধ্যান জ্ঞান সব তখন তার নাড়িছেঁড়া ধনÑ তার সন্তান। একটু ব্যথায়েও যে ব্যথিত হয়। মুষড়ে পড়ে।

সময় থাকতে দঁাতের যেমন মযার্দা দিতে হয় তেমন মা বাবা বেঁচে থাকতে তাদের আগলে রাখুন। সেবা দিয়ে মায়া দিয়ে। মরে যাওয়ার পর জোড় গরুতে পুরো এলাকার লোক খাইয়ে মেজবান দেয়ায় কোনো সওয়াব নেই। সারাজীবন মায়ের খবর নিলেন না। যেই মাত্র চোখ বুজল। মাকে দেখার জন্য দুচারদিন লাশ ফ্রিজারে রেখে দেয়া। তারপর লোক দেখানো মায়াকান্না। চেহলাম দেয়া অঢেল পয়সাকড়ি খরচ করে। এতে ক্ষতি বৈ লাভ হবে না। তার চেয়ে বরং বেঁচে থাকতেই আমরা এ জান্নাতকে ভালোবাসি। কারণ মায়ের সেবা করা মানেই তো জান্নাত পাওয়া। উপলক্ষবিহীন এ ভালোবাসার যুৎসই দাম দেই সেবায় মায়ায় ভালোবাসায়।

আজকের ময়মনসিংহ
আজকের ময়মনসিংহ