ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • বৃহস্পতিবার   ০২ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ১৯ ১৪২৬

  • || ০৮ শা'বান ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
৩৭০

আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফের মুখ পুড়ল ইমরান সরকারের

আজকের ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আর্থিক সংস্থা এফএটিএফের (FATF) কালো তালিকা এড়াতে পারলেও ‘ধূসর তালিকা’ এড়াতে পারেনি পাকিস্তান। আর এতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের আরও একবার মুখ পুড়ল বলে দাবি করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

সূত্রের খবর, পাকিস্তানকে কালো তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা চালিয়েছিল নয়াদিল্লি। এমনকী, ধূসর তালিকাও এড়ানোরও চেষ্টা করেছিল ইসলামাবাদ। তবে সেই চেষ্টা ধোপে টিকল না। একটি অভ্যন্তরীণ রিপোর্টে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থা জানায়, ‘প্যারিসের আর্থিক টাস্ক ফোর্সের (Financial Action Task Force) দ্বারা নিষিদ্ধ হওয়ার ফলে, পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংস্কার ধাক্কা খাবে। এই পদক্ষেপ বিনিয়োগ এবং অন্যান্য পুঁজি আসার ক্ষেত্রে প্রভাব পড়বে। ফলে তার সঙ্গে প্রভাব পড়বে আইএমএফ-এর আর্থিক জোগানেও।’

এপ্রিলের মধ্যে ধূসর তালিকা থেকে পাকিস্তানকে বের না করা হলে তারা কালো তালিকায় চলে যাবে। মঙ্গলবার প্যারিসে বৈঠক করেন এফএটিএফের ৩৯ জন সদস্য। পাকিস্তান ও ইরানের ঝুঁকির রেটিং নিয়ে সপ্তাহভর প্লেনারি তৈরি হয় সেখানে। ইসলামাবাদকে সমর্থনের কথা জানিয়েছে তুর্কি ও মালয়েশিয়া। গত বছরের অক্টোবরে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা এবং জইশ-ই-মহম্মদ এবং অন্যান্যদের আর্থিক জোগান দেওয়া বন্ধ করার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ব্যর্থতার জন্য তাদের ‘ধূসর’ তালিকায় রাখার সিদ্ধান্ত নেয় এফএটিএফ।
নয়াদিল্লি উল্লেখ করেছে, ইসলামাবাদের দ্বৈত আচরণই তাকে বারবার প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। একদিকে ইলসামাবাদ লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ ও হিজবুল মুজাহিদিনের মতো জঙ্গি সংগঠনগুলিকে সমর্থন করেছে। অন্যদিকে, বিশ্বের দরবারে তাদের নিজেকে ভাল রাখতে তাদের বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছে এফএটিএফের কাছে। সূত্রের খবর, তাই এফএটিএফের ‘ধূসর তালিকা’তেই থাকল পাকিস্তান। সোমবার পাকিস্তানের নাম না করেই এফএটিএফ জানায়, ‘বিশ্বজুড়ে সমর্থক থাকায় ও অবৈধ কার্যকলাপ করার কারণে তহবিল বাড়ানোর সুবিধা পাচ্ছে অনেক জঙ্গি সংগঠন।’

কালো তালিকা থেকে বেরিয়ে এলেও ধূসর তালিকায় থেকে যাওয়ার বিশ্বের কাছে নিজের ইমেজ বজায় রাখতে ফের ব্যর্থ হয় ইসলামাবাদ। অর্থ, কূটনৈতিক ব্যর্থতার পাশাপাশি শেষ মুহূর্তে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের চেষ্টাতেও ব্যর্থ পাকিস্তান। গত সপ্তাহে ২০০৮-এর মুম্বাই হামলার মূলচক্রী এবং লস্কর-ই-তৈইবার প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সাঈদকে ১১ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় পাকিস্তানের একটি আদালত। সন্ত্রাসবাদে অর্থের জোগান দেওয়ার অপরাধে তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

আজকের ময়মনসিংহ
আজকের ময়মনসিংহ
আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর