ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিববঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • সোমবার   ০১ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৭ ১৪২৭

  • || ০৯ শাওয়াল ১৪৪১

আজকের ময়মনসিংহ
৯২

আনসার সদস্য হত্যায় তিন ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ড

আজকের ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০১৯  

রাজধানীর শ্যামলীতে ১৭ বছর আগে ছিনতাইকারীদের গুলিতে আনসার সদস্য ফজলুল হক নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় তিন ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার ১ নং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- পাপ্পু ওরফে অন্তু (পলাতক), তারিকুর রহমান ওরফে শিবলী হোসেন ওরফে উজ্জল (পলাতক) এবং শুক্কর আলী ওরফে সোহেল (পলাতক)।

মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি শুক্কর আলীকে আরেক ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাস কারাগারে থাকতে হবে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০২ সালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার শ্যামলী থানা এলাকায় পুলিশ কনস্টেবল আ. জলিল ফরাজী ও আনসার কনস্টেবল ফজলুল হক ডিউটিতে ছিলেন। ঘটনার দিন বেলা ১টার দিকে শ্যামলীর ৩ নং রোডের মাথায় কনস্টেবল আকমান হোসেন গুলির শব্দ শুনতে পান এবং গিয়ে দেখেন ফজলুল হক উপুড় হয়ে পড়ে আছেন। জলিল ফরাজী ছিনতাইকারীদের সাথে ধস্তাধস্তি করছেন। আকমান হোসেনকেও ছিনতাইকারীরা রিভলবার দিয়ে গুলি করে। আকমান হোসেনও তার শর্টগান দিয়ে এক রাউন্ড গুলি করে। ছিনতাইকারীরা জলিল ফরাজীকে গুলি করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে ফজলুল হককে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় আকমান হোসেন মোহাম্মদপুর থানায় বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। ২০০৩ সালের ৩১ মার্চ মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক নূরে আলম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০০৪ সালের ১০ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। চার্জশিটভুক্ত ১৫ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ৮ জন সাক্ষ্য দেন।

অপরাধ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর